RSS

Category Archives: মিষ্টি

রসমালাই

উপকরণ : ১ কাপ গুঁড়া দুধ, ৩টি ডিম, এক-চতুর্থাংশ কাপ বেকিং পাউডার, ১ কেজি দুধ, আধা কাপ চিনি, কাজু বাদাম ও পেস্তাবাদাম প্রয়োজনমতো।

প্রস্তুত প্রণালি : একটি বাটিতে গুঁড়া দুধ, ডিম ও বেকিং পাউডার মেশান এবং মিশ্রণটি ভালোভাবে দলাই-মলাই করুন এবং ৩০ মিনিট এটিকে আলাদা রাখুন। এরপর মিশ্রণগুলো থেকে ছোট মার্বেলের মতো বল তৈরি করুন হাতের তালুতে। এবার একটি পাত্রে দুধ ফুটান এবং সবুজ এলাচ ও চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন। চিনি সম্পূর্ণ মিশে গেলে মার্বেলের মতো বলগুলো ছেড়ে দিন এবং অল্প আঁচে ৫-৭ মিনিট রাখুন, তারপর কাজু বাদাম ও পেস্তা বাদাম কুচি ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন রসমালাই।

রসমালাইরেসিপিটি প্রকাশিত হয় ১৪ অক্টোবর ২০১৫
1SAMAKAL=LOGO

Advertisements
 

সন্দেশ

উপকরণ :(ছানার জন্য) সম্পূর্ণ ক্রিম দুধ দেড় লিটার, (রসের জন্য) সম্পূর্ণ ক্রিম দুধ ২ লিটার, চিনি (রস তৈরি করার সময় যোগ করা হবে) ১ কাপ, মিহি ময়দা আধা কাপ, চিনি (আমরা দলিত মালকড়ি রান্না করা, শেষে যোগ করা হবে) ৫ টেবিল চামচ

প্রস্তুত প্রণালি : ছানা তৈরি করুন এবং ছানা ৪ ঘণ্টার জন্য দম দিয়ে রাখুন, ছানা সম্পূর্ণ শুষ্ক হওয়া পর্যন্ত। এবার ময়দা ও রস মিশিয়ে ব্যাচ করুন এবং হাত দিয়ে চটকান ২০ মিনিট পর্যন্ত। তারপর ননস্টিকি প্যানে মিশ্রণটি রাখুন এবং গ্যাসের চুলায় অল্প আঁচে জ্বালান। মিশ্রণটি ক্রমাগত নাড়তে থাকুন ১৫ মিনিট। এভাবে একসময় মিশ্রণটি একদম শুকিয়ে যাবে। এরপর গ্যাসের চুলা বন্ধ করুন। এবার মিশ্রণটি ঠাণ্ডা করতে দিন। পুরোপুরি ঠাণ্ডা যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। হালকা গরম থাকবে। এবার হাত অথবা ছাঁচে ফেলে গোল অথবা চারকোনা করে নিয়ে চেপে বিভিন্ন শেপে আনুন। সন্দেশ এখন ভঙ্গুর থাকবে; কিন্তু পুরোপুরি ঠাণ্ডা হতে হবে। এটি ঠাণ্ডা হলে ১৫ দিন পর্যন্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায়।

সন্দেশরেসিপিটি প্রকাশিত হয় ১৪ অক্টোবর ২০১৫
1SAMAKAL=LOGO

 

গোলাপ জাম

উপকরণ : গুঁড়া দুধ ৫ টেবিল চামচ, ময়দা ২ টেবিল চামচ, বেকিং সোডা ১/৮ চা চামচ, ডিম ১টি, ডুবো তেলে ভাজার জন্য ২ কাপ তেল।
সিরাপের জন্য : চিনি ১ কাপ, পানি ১ কাপ, এলাচ গুঁড়া ১/৮ চা চামচ পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রণালি : একটি সস প্যানে সিরাপ বানানোর জন্য সব উপকরণ দিয়ে রাখুন এবং চুলার আঁচ মাঝারি রাখুন। এরপর চিনি ঘন হয়ে আসা পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। তারপর চুলা বন্ধ করুন। এবার একটি বাটিতে গুঁড়া দুধ, ময়দা, বেকিং সোডা মেশান। তারপর একটি ডিম মেশান এবং ভালোভাবে মিক্সড করুন। মাখানো মিশ্রণ থেকে ১০টি একই রকম বল তৈরি করুন। বলগুলো দেখে এখন ছোট মনে হলেও বিশ্বাস করুন, সিরাপে ডোবানোর পর বলগুলো আরও বড় আকারের দেখতে হবে। বলগুলো পাকাতে থাকুন যতক্ষণ না বলগুলো মসৃণ হয় এবং নিশ্চিত করতে হবে যেন কোথাও কোনো ভাঙাচোরা না থাকে। এরপর একটি গভীর পাত্রে দুই কাপ তেল দিয়ে চুলার আঁচ বাড়িয়ে দিন অল্প করে। তৈরিকৃত বলগুলো কিছুক্ষণ পর আস্তে আস্তে ডুবো তেলে ছাড়ূন। বলগুলো চারদিকে হালকা বাদামি রঙ ধারণ করলে বলগুলো ঘুরিয়ে দিন যেন সব জায়গায় একই রকম রঙ হয়। এরপর জামগুলো সুবর্ণ বাদামি হলে সেগুলোকে চামচ দিয়ে নামিয়ে নিন। এবার আগে তৈরি করা সিরাপটি চুলার ওপর হালকা আঁচে বসান এবং তার ভেতর গোলাপ জামগুলো ছেড়ে দিন। আস্তে আস্তে আপনার তৈরি জামগুলো দেখতে সুন্দর ও নরম হবে। তারপর একটি সার্ভিং ডিশে নামিয়ে দিন জামগুলো এবং জামগুলোর ওপর সিরাপ ছড়িয়ে দিন। সুন্দর করে পরিবেশন করুন সুস্বাদু গোলাপ জাম।

GOLAP JAMরেসিপিটি প্রকাশিত হয় ১৪ অক্টোবর ২০১৫
1SAMAKAL=LOGO

 

ছানার সন্দেশ

উপকরণ : ছানা ২ কাপ, ব্রাউন সুগার পরিমাণমতো, সাদা চিনি ১ চা-চামচ, মাখন ২ টেবিল চামচ, ক্রিম ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ, হোয়াইট কুকিং চকলেট আধা কাপ (কোরানো), তরল দুধ ১ টেবিল চামচ ও ডার্ক কুকিং চকলেট পরিমাণমতো।

প্রণালি : চুলায় ছানা ও মাখন দিয়ে কিছুক্ষণ ভুনে নিন। এতে ব্রাউন সুগার ও সাদা চিনি দিয়ে ভুনতে থাকুন। এবার ক্রিম দিয়ে মিষ্টি পরখ করে নামিয়ে একটি গোলাকার পাত্রে পুরু করে চেপে চেপে বিছিয়ে দিন। ঠান্ডা হলে বরফি বা অন্য আকারে সন্দেশ কেটে নিন। এবার হোয়াইট চকলেট ও দুধ মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে কিছুক্ষণ দিয়ে গলিয়ে নিন। এটি সন্দেশের ওপর ঢেলে দিয়ে ফ্রিজে রাখুন। ৩০ মিনিট পর ডার্ক চকলেট একইভাবে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গলিয়ে ওপরে দিয়ে পরিবেশন করুন।

ছানার সন্দেশরেসিপিটি প্রকাশিত হয় ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৫
PALO

 

কমলাভোগ

উপকরণ : (মিষ্টির জন্য) : দুধ (স্কিম মিল্ক বা ফ্যাট ফ্রি হলে ভালো হয়) ২ লিটার, কমলার রস ২ কাপ, সিরকার ও পানির মিশ্রণ ১ কাপ (প্রয়োজন হলে), জাফরান প্রয়োজন অনুযায়ী, বেকিং পাউডার আধা টেবিল চামচ, আইসিং সুগার ২ টেবিল চামচ, সুজি ১ টেবিল চামচ, অরেঞ্জ এসেন্স ২ ফোঁটা (না দিলেও চলবে), জাফরানি রং সোয়া চা-চামচ, লবঙ্গ (প্রতিটি মিষ্টির জন্য) ১টি করে।

(শিরার জন্য) : চিনি ৩ কাপ, পানি ৫ কাপ, এলাচ গুঁড়া ১ চা-চামচ।

প্রণালি : ৪ কাপ পানির সঙ্গে চিনি মিশিয়ে জ্বাল দিন। ঘন হয়ে এলে আরও ১ কাপ পানি দিয়ে জ্বাল দিন। শিরার ঘনত্ব বুঝে চুলা বন্ধ করে দিন। একটি প্যান বা হাঁড়িতে দুধ জ্বাল দিন। কয়েকবার ফুটে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিন। দুধের হাঁড়ি আর নাড়াবেন না। পুরু সর পড়লে তা সাবধানে দুধ থেকে উঠিয়ে ফেলুন। পুনরায় মাঝারি আঁচে দুধ জ্বাল দিন। একবার ফুটে উঠলে চুলা বন্ধ করে অল্প অল্প করে কমলার রস দিন। দুধে দই বা ছানা ভাব এলে বুঝবেন সিরকার মিশ্রণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু ছানা দুধ থেকে আলাদা না হলে সিরকা দিতে হবে এবং দুধ ও ছানার পানি আলাদা হয়ে গেলে ঝাঝরিতে ছেঁকে নিতে হবে। সুতি বা মসলিন কাপড়ে ছানা নিয়ে গিঁট মেরে ঝুলিয়ে রেখে পানি ঝরিয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন ছানা যেন বেশি শক্ত হয়ে না যায়।

এবারে একটি ট্রেতে ছানা নিয়ে ২০ থেকে ৩০ মিনিট মথে মসৃণ করে নিন। ছানার মধ্যে একটা ভেজা ভেজা ভাব থাকবে। আরও মসৃণ করতে চাইলে একটু ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। তারপর এটি ১০-১৫ মিনিট ঢেকে রেখে দিন। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব মনে হলে দুই-এক চা-চামচ ময়দা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে মথে নিন। এই ডো থেকে ছোট ছোট গোলা তৈরি করুন। গোল আকৃতির মিষ্টি তৈরি করে তার মাঝখানে আঙুল চেপে একটু ছোট গর্তের মত তৈরি করুন। প্রতিটি মিষ্টির গর্তে একটি করে লবঙ্গ গেঁথে দিন। কয়েকটি পেস্তা কুচি লবঙ্গের চারপাশে দিয়ে ফুলের মতো তৈরি করুন। মিষ্টির চারপাশে একটু একটু করে জাফরানের রেণু ছিটিয়ে দিন। সাবধানে সাজাতে হবে যেন ফেটে না যায়। এবার কিচেন টাওয়েল দিয়ে কয়েক মিনিট ঢেকে রাখুন।

চিনির শিরায় এলাচ গুঁড়া দিয়ে অল্প কিছুক্ষণ জ্বাল দিয়ে এই শিরাতে একটি একটি করে কমলাভোগ ছেড়ে দিন। কড়াই বা হাঁড়ি আলতোভাবে এ পাশে ওপাশে ঘুরিয়ে ভারী ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। কিছুক্ষণ পর ঢাকনা খুলে কড়া আঁচে ১০ মিনিট জ্বাল দিন। আরও ৫-১০ মিনিট জ্বাল দিয়ে চুলা বন্ধ করে ৩০ মিনিট ঢেকে রাখুন। এবার ঢাকনা খুলে ঠান্ডা হতে দিন। তারপর পরিবেশন পাত্রে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

কমলাভোগরেসিপিটি প্রকাশিত হয় ৬ জানুয়ারী ২০১৫
PALO

 

জিলাপি

যা যা লাগবে : ময়দা ৪ কাপ, খাবার সোডা দেড় চা চামচ, পানি ২ কাপ, জাফরান ১ চিমটি, গোলাপজল আধা চা চামচ, তেল ভাজার জন্য। সিরা করতে লাগবে পানি ৪ কাপ, চিনি ৬ কাপ।

প্রণালী : ময়দা, জাফরান, গোলাপজল ও খাবার সোডা একসঙ্গে মিলিয়ে এরপর অল্প অল্প পানি দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন। ৪৮ ঘন্টা রেখে মোটা কাপড়ে মিশ্রণ নিয়ে চিকন ছিদ্র করে ছোট ছোট প্যাঁচে জিলাপি গরম তেলে ভাজুন। পানি ও চিনি একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে সিরা তৈরি করুন। মচমচে করে ভেজে সিরায় দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে জিলাপি তুলে নিন। ঠাণ্ডা হলে পরিবেশন করুন।

জিলাপিরেসিপিটি প্রকাশিত হয় ২৮ জুলাই ২০১৩
LOGO_SHUPROBHAT_BANGLADESH

 

ক্ষীরকদম

উপকরণ : দুধ ১ লিটার, খোয়া ক্ষীর ৫০০ গ্রাম, চিনি ২ কাপ, গুঁড়ো চিনি আন্দাজ মতো, গুঁড়ো দুধ আন্দাজ মতো, লালা ফুড কালার সামান্য, ভিনিগার ২ টেবল-চামচ।

রসগোল্লা বানানোর প্রণালি : দুধ গরম করে ফুটে উঠলে তাতে এক থেকে দু’টেবল-চামচ ভিনিগার দিন দুধ কাটিয়ে ছানা তৈরি করে নিন। এ বার ওই ছানা একটা মসলিন অথবা সুতির কাপড়ে ঢেলে জলে ধুয়ে নিতে হবে যাতে ভিনিগারের গন্ধ আর টক ভাব না থাকে। এর পর পাতলা কাপড়ে বেঁধে টাঙ্গিয়ে রাখুন যাতে ছানা থেকে ভালো করে জল ঝরে যায়। এ বার আধা-চামচ ফুড কালার মিশিয়ে ছানা মসৃণ করে মাখতে হবে। মাখা ছানা দিয়ে এ বার ছোট ছোট বল বানিয়ে নিন। একটা ঢাকা দেয়া পাত্রে এক কাপ চিনি আর তিন কাপ জল দিয়ে পাতলা করে চিনির রস বানিয়ে নিন। ছানার বলগুলো ফুটন্ত রসে ছেড়ে মাঝারি তাপমাত্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট ঢাকা দিয়ে রান্না করলে রসগোল্লা তৈরি হয়ে যাবে।

ক্ষীরকদম বানানোর প্রণালি : রসগোল্লা তুলে নিয়ে ওই রসে এক কাপ চিনি দিয়ে ফুটিয়ে রসটা ঘন করে নিন। রসগোল্লাগুলোকে রসে পাঁচ মিনিট ফুটিয়ে। আধা ঘণ্টা ঢাকনা দিয়ে রেখে দিন। রস থেকে তুলে একটা প্লেটে কিছু ক্ষণ রসগোল্লাগুলো রাখতে হবে যাতে বাড়তি রস ঝরে যায়। মেওয়া অথবা খোয়াতে ২ থেকে ৩ টেবল-চামচ গুঁড়ো চিনি মিশিয়ে মসৃণ করে মেখে নিতে হবে, যেন কোনো ডেলা না থাকে। এ বার প্রতিটা রসগোল্লা মেওয়া/খোয়া মাখিয়ে গোল করে নিতে হবে। এর পর গুঁড়ো দুধ মাখিয়ে এমনি বা ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন।

ক্ষীর কদমরেসিপিটি প্রকাশিত হয় ১ অক্টোবর ২০১৩
Manob_Kantha_logo

 
 
%d bloggers like this: